Dhaka ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
থাইল্যান্ড ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ড. ইউনূসের বৈঠক হবে বিমসটেকে  আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে : প্রধান উপদেষ্টা ঢাকাসহ ১৫ জেলায় তাপপ্রবাহ, অব্যাহত থাকার আভাস যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপে রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে:মোস্তাফিজুর রহমান প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই দুই মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষাবোর্ড তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের চাঁদাবাজদের ছাড় দেওয়া হবে না : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বিমসটেক ইয়ং জেন ফোরামে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা বিকেলে বিমসটেক সম্মেলনে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন প্রধান উপদেষ্টা

টঙ্গীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • ২৮ Time View

গাজীপুরের টঙ্গীর হোসেন মার্কেট এলাকায় একটি পোশাক তৈরির কারখানার শ্রমিকরা বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন।

রোববার (২৩ মার্চ) সকাল ৭টা থেকে তারা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে আন্দোলনরত শ্রমিকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে কারখানার সামনে নেওয়া হলে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

শিল্প পুলিশ ও কারখানার শ্রমিকরা জানান, টঙ্গীর হোসেন মার্কেট এলাকায় বিএইচআইএস অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানার শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধ না করা হয়নি। কারখানা কর্তৃপক্ষ একাধিকবার তারিখ দিয়েও বেতন পরিশোধ করেনি। এ নিয়ে গত ১১ মার্চ হঠাৎ কারখানা বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ। বেতন না দিয়ে কারখানা বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায় একপর্যায়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। ওই সময় পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এদিকে শ্রমিকদের দাবি মেনে না নেওয়ায় রোববার সকাল থেকে বিএইচআইএস অ্যাপারেলস লিমিটেডের শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে ওই মহাসড়কের উভয়দিকে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন মহাসড়কে চলাচলকারীরা। খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের বুঝিয়ে শান্ত করেন।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পরিদর্শক মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, এই কারখানার শ্রমিকরা গত কয়েকদিন আগে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরে ২০ মার্চের মধ্যে বেতন দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ১৫০০ জন শ্রমিকদের ১২৫০ জন শ্রমিকের বেতন দেওয়া হয়। গতকাল শ্রমিকরা কাজ না করার ঘোষণা দিলে ‘নো ওয়ার্ক নো পে’ ঘোষণা করে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এরপর রোববার সকাল ৭টা থেকে শ্রমিকরা বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে আন্দোলনরত শ্রমিকদের বুঝিয়ে কারখানার সামনে নেওয়া হলে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এখন শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে মালিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Raj Kalam

থাইল্যান্ড ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ড. ইউনূসের বৈঠক হবে বিমসটেকে 

টঙ্গীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

Update Time : ০৪:০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

গাজীপুরের টঙ্গীর হোসেন মার্কেট এলাকায় একটি পোশাক তৈরির কারখানার শ্রমিকরা বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন।

রোববার (২৩ মার্চ) সকাল ৭টা থেকে তারা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে আন্দোলনরত শ্রমিকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে কারখানার সামনে নেওয়া হলে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

শিল্প পুলিশ ও কারখানার শ্রমিকরা জানান, টঙ্গীর হোসেন মার্কেট এলাকায় বিএইচআইএস অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানার শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধ না করা হয়নি। কারখানা কর্তৃপক্ষ একাধিকবার তারিখ দিয়েও বেতন পরিশোধ করেনি। এ নিয়ে গত ১১ মার্চ হঠাৎ কারখানা বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ। বেতন না দিয়ে কারখানা বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায় একপর্যায়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। ওই সময় পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এদিকে শ্রমিকদের দাবি মেনে না নেওয়ায় রোববার সকাল থেকে বিএইচআইএস অ্যাপারেলস লিমিটেডের শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে ওই মহাসড়কের উভয়দিকে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন মহাসড়কে চলাচলকারীরা। খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের বুঝিয়ে শান্ত করেন।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পরিদর্শক মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, এই কারখানার শ্রমিকরা গত কয়েকদিন আগে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরে ২০ মার্চের মধ্যে বেতন দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ১৫০০ জন শ্রমিকদের ১২৫০ জন শ্রমিকের বেতন দেওয়া হয়। গতকাল শ্রমিকরা কাজ না করার ঘোষণা দিলে ‘নো ওয়ার্ক নো পে’ ঘোষণা করে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এরপর রোববার সকাল ৭টা থেকে শ্রমিকরা বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে আন্দোলনরত শ্রমিকদের বুঝিয়ে কারখানার সামনে নেওয়া হলে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এখন শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে মালিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে।