Dhaka ০৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিএনপির নেতারা হাত গুটিয়ে ঘরে বসে আছেন: তথ্যমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২০
  • ১০৫ Time View

দেশে চলমান করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও বিএনপির নেতারা কাজকর্ম সীমাবদ্ধ রেখে হাত গুটিয়ে ঘরে বসে আছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ।

শুক্রবার বিকেলে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের চিকিৎসাধীন নেতারাসহ সবার সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপি নেতাদের করোনায় আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে না- সাংবাদিকদের এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তথ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ আক্রান্ত হোক, সেটি আমরা কখনো কামনা করি না। বিএনপি নেতারা সবাই সুস্থ থাকুন এবং সব মানুষ যেন সুস্থ থাকে সেটিই কামনা করি। সেইসঙ্গে এটিও সত্য যে, যারাই জনগণের পাশে থেকে কাজ করছেন, তারাই আক্রান্ত হচ্ছেন ও তাদেরই আক্রান্তের সম্ভাবনা বেশি। অপরদিকে বিএনপি নেতারা যারা হাত গুটিয়ে বসে আছেন। ঘরের মধ্যে থেকে প্রেস ব্রিফিং আর কিছু ফটোসেশনের মধ্যে কাজকর্ম সীমাবদ্ধ রেখে জনগণের পাশে দাঁড়াননি। তাদের আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কম। তবে আমি সবসময় প্রার্থনা করি বিএনপি নেতারা সবাই সুস্থ থাকুক।

এ সময় বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের মন্তব্য- দেশে স্বাস্থ্যসেবা ভেঙে পড়েছে এর প্রতিক্রিয়ায় হাছান বলেন, দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা যতটুকু আছে, সেই সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রশাসনের প্রাণান্তকর চেষ্টায় এখনো বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে কম মৃত্যুহারের দেশগুলোর একটি। সেইসঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের সব উদ্যোগ হাতে নেয়া হয়েছে। সুতরাং অর্বাচীনের মতো কথা না বলে তাদের জনগণের পাশে দাঁড়াতে অনুরোধ জানাই।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দলের নেতাকর্মী, মন্ত্রিপরিষদ ও এমপিরা ও বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিরা জনগণকে সুরক্ষা দেয়া ও সহায়তা করার জন্য ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। যে কারণে আমরা দেখতে পারছি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারাসহ বহু নেতাকর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বিশেষ করে বরেণ্য নেতা মোহাম্মদ নাসিম, সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ, সিলেটের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান মৃত্যুবরণ করেছেন। এর মূল কারণ হচ্ছে, তারা জনগণের পাশে থেকে কাজ করছিলেন এবং তা করতে গিয়েই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এর আগে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের প্রয়াত নেতা মোহাম্মদ নাসিম, সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ, সিলেটের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানসহ দলের সদ্য প্রয়াত নেতাদের আত্মার শান্তি ও অসুস্থ নেতাকর্মীদের আরোগ্য প্রার্থনা করে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহ‌ফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা এবং দেশ ও বিশ্বকে করোনা থেকে মুক্তির জন্য মুনাজাত করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বিএনপির নেতারা হাত গুটিয়ে ঘরে বসে আছেন: তথ্যমন্ত্রী

Update Time : ০৮:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২০

দেশে চলমান করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও বিএনপির নেতারা কাজকর্ম সীমাবদ্ধ রেখে হাত গুটিয়ে ঘরে বসে আছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ।

শুক্রবার বিকেলে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের চিকিৎসাধীন নেতারাসহ সবার সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপি নেতাদের করোনায় আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে না- সাংবাদিকদের এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তথ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ আক্রান্ত হোক, সেটি আমরা কখনো কামনা করি না। বিএনপি নেতারা সবাই সুস্থ থাকুন এবং সব মানুষ যেন সুস্থ থাকে সেটিই কামনা করি। সেইসঙ্গে এটিও সত্য যে, যারাই জনগণের পাশে থেকে কাজ করছেন, তারাই আক্রান্ত হচ্ছেন ও তাদেরই আক্রান্তের সম্ভাবনা বেশি। অপরদিকে বিএনপি নেতারা যারা হাত গুটিয়ে বসে আছেন। ঘরের মধ্যে থেকে প্রেস ব্রিফিং আর কিছু ফটোসেশনের মধ্যে কাজকর্ম সীমাবদ্ধ রেখে জনগণের পাশে দাঁড়াননি। তাদের আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কম। তবে আমি সবসময় প্রার্থনা করি বিএনপি নেতারা সবাই সুস্থ থাকুক।

এ সময় বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের মন্তব্য- দেশে স্বাস্থ্যসেবা ভেঙে পড়েছে এর প্রতিক্রিয়ায় হাছান বলেন, দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা যতটুকু আছে, সেই সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রশাসনের প্রাণান্তকর চেষ্টায় এখনো বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে কম মৃত্যুহারের দেশগুলোর একটি। সেইসঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের সব উদ্যোগ হাতে নেয়া হয়েছে। সুতরাং অর্বাচীনের মতো কথা না বলে তাদের জনগণের পাশে দাঁড়াতে অনুরোধ জানাই।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দলের নেতাকর্মী, মন্ত্রিপরিষদ ও এমপিরা ও বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিরা জনগণকে সুরক্ষা দেয়া ও সহায়তা করার জন্য ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। যে কারণে আমরা দেখতে পারছি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারাসহ বহু নেতাকর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বিশেষ করে বরেণ্য নেতা মোহাম্মদ নাসিম, সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ, সিলেটের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান মৃত্যুবরণ করেছেন। এর মূল কারণ হচ্ছে, তারা জনগণের পাশে থেকে কাজ করছিলেন এবং তা করতে গিয়েই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এর আগে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের প্রয়াত নেতা মোহাম্মদ নাসিম, সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ, সিলেটের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানসহ দলের সদ্য প্রয়াত নেতাদের আত্মার শান্তি ও অসুস্থ নেতাকর্মীদের আরোগ্য প্রার্থনা করে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহ‌ফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা এবং দেশ ও বিশ্বকে করোনা থেকে মুক্তির জন্য মুনাজাত করা হয়।