Dhaka ০৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নতুন প্রযুক্তির সমন্বয় ও প্রদর্শনে বাংলাদেশে ভিভো এগিয়ে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৪৫:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২০
  • ১০৬ Time View

নতুন নতুন স্মার্টফোন প্রযুক্তির উদ্ভাবন, গ্রাহকদের চাহিদার আলোকে ডিভাইসে নতুন প্রযুক্তির সমন্বয় ও প্রদর্শনে বাংলাদেশের বাজারে এখন এগিয়ে রয়েছে ভিভো। বাংলাদেশের বাজারে চীনের বহুজাতিক প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিভো যাত্রা শুরু করে ২০১৭ সালে। যাত্রা শুরুর তিন বছরের মধ্যে পপআপ সেলফি ক্যামেরা, ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তিসহ নানা রকম প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে ভিভো। এছাড়াও স্মার্টফোনের জন্যে উন্নত প্রযুক্তির অডিও চিপও এনেছে ভিভো।

ভিভোর পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্মার্টফোনে নতুন প্রযুক্তির সংযোজনই ভিভোর অন্যতম লক্ষ্য। আর এ কারণে স্মার্টফোনে নতুনত্ব ও কার্যকারিতা বাড়াতে বিরতীহীন কাজ করে যাচ্ছে ভিভো। আর এ জন্যই প্রতিষ্ঠানটির বেশিরভাগ কর্মীই প্রযুক্তির গবেষণা ও উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছে। শুরুতে চীনের বাজারের পর দ্রুত ভারত ও ফিলিপাইনের বাজারেও দুর্দান্ত সফলতা পায় ভিভো। সর্বশেষ বাংলাদেশের বাজারে ভিভো অসাধারণ সফলতা অর্জন করে।

সম্প্রতি, করোনাভাইরাসের সংক্রমণে বদলে যায় বিশ্বের পরিস্থিতি। নতুন প্রযুক্তি নিয়ে নতুনভাবে শুরু করতে হয় বাংলাদেশকেও। আর এই করোনার সময়ে মধ্যবিত্তের নাগালে তথ্যপ্রযুক্তি পৌঁছে দিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে ভিভো। হাতের নাগালে থাকা দামে নতুন উদ্ভাবনের স্মার্টফোন বাজারে এনেছে ভিভো।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিভোর বাজার রয়েছে। তবে, কৌশলগতভাবে, বাংলাদেশের বাজার গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায়, গ্রাহকদের চাহিদা পূরণে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি । এরই ধারাবাহিকতায় সারাদেশে বিপুল সংখ্যক স্মার্টফোন রিটেইলশপ এবং ১২টি সার্ভিস সেন্টার খুলেছে ভিভো।

ফোন কোম্পানিগুলোর মধ্যে সেরা হয়ে উঠতে স্মার্টফোন নির্মাতা থেকে প্রযুক্তি উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া. যোগাযোগ শিল্পের নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে ৫জি প্রযুক্তি নিয়েও কাজ করছে ভিভো এরই মধ্যে বিশ্বব্যাপী ৫জি স্মার্টফোন ভিভো আইকিউওও৫ বাজারে এনেছে ভিভো।

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত নিজেদের সেরা ডিভাইসগুলোই এনেছে ভিভো। এর মধ্যে ফ্ল্যাগশিপ ছাড়াও রয়েছে মিডরেঞ্জ ও বাজেট ফোন। তবে, করোনার সময়ে মিডরেঞ্জের ডিভাইসে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এনেছে ভিভো ওয়াই৫০ ও ওয়াই৩০ এর মতো স্মার্টফোনগুলো। ক্যামেরা, ব্যাটারি ও দামের জন্যে ইতিমধ্যেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই স্মার্টফোন দুটি। এছাড়াও বাজারে রয়েছে আরো এক জনপ্রিয় স্মার্টফোন ভিভো ভি১৯। ক্যামেরা প্রযুক্তি ও ডিসপ্লে ডিজাইনের জন্যে জনপ্রিয়তা পায় ভিভোর এই ফোন।

ভিভো বাংলাদেশের ডেপুটি ব্র্যান্ড ম্যানেজার তানজীব আহামেদ বলেন, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে, আমরা তরুণ প্রজন্মের চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে চলি। বাংলাদেশে ভিভোর যাত্রা দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে। এরই মধ্যে ভিভো ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ও পপআপ সেলফি ক্যামেরার মতো প্রযুক্তি বাজারে এনেছে। তবে, গ্রাহকদের কাছে পছন্দসই স্মার্টফোনের পাশাপাশি, ফোনের দামটিও গুরুত্বপূর্ণ। তাই করোনাকালীন এই সময়ে ভিভো মিডরেঞ্জের ফোনগুলো বাজারে এনেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Raj Kalam

নতুন প্রযুক্তির সমন্বয় ও প্রদর্শনে বাংলাদেশে ভিভো এগিয়ে

Update Time : ০১:৪৫:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২০

নতুন নতুন স্মার্টফোন প্রযুক্তির উদ্ভাবন, গ্রাহকদের চাহিদার আলোকে ডিভাইসে নতুন প্রযুক্তির সমন্বয় ও প্রদর্শনে বাংলাদেশের বাজারে এখন এগিয়ে রয়েছে ভিভো। বাংলাদেশের বাজারে চীনের বহুজাতিক প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিভো যাত্রা শুরু করে ২০১৭ সালে। যাত্রা শুরুর তিন বছরের মধ্যে পপআপ সেলফি ক্যামেরা, ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তিসহ নানা রকম প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে ভিভো। এছাড়াও স্মার্টফোনের জন্যে উন্নত প্রযুক্তির অডিও চিপও এনেছে ভিভো।

ভিভোর পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্মার্টফোনে নতুন প্রযুক্তির সংযোজনই ভিভোর অন্যতম লক্ষ্য। আর এ কারণে স্মার্টফোনে নতুনত্ব ও কার্যকারিতা বাড়াতে বিরতীহীন কাজ করে যাচ্ছে ভিভো। আর এ জন্যই প্রতিষ্ঠানটির বেশিরভাগ কর্মীই প্রযুক্তির গবেষণা ও উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছে। শুরুতে চীনের বাজারের পর দ্রুত ভারত ও ফিলিপাইনের বাজারেও দুর্দান্ত সফলতা পায় ভিভো। সর্বশেষ বাংলাদেশের বাজারে ভিভো অসাধারণ সফলতা অর্জন করে।

সম্প্রতি, করোনাভাইরাসের সংক্রমণে বদলে যায় বিশ্বের পরিস্থিতি। নতুন প্রযুক্তি নিয়ে নতুনভাবে শুরু করতে হয় বাংলাদেশকেও। আর এই করোনার সময়ে মধ্যবিত্তের নাগালে তথ্যপ্রযুক্তি পৌঁছে দিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে ভিভো। হাতের নাগালে থাকা দামে নতুন উদ্ভাবনের স্মার্টফোন বাজারে এনেছে ভিভো।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিভোর বাজার রয়েছে। তবে, কৌশলগতভাবে, বাংলাদেশের বাজার গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায়, গ্রাহকদের চাহিদা পূরণে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি । এরই ধারাবাহিকতায় সারাদেশে বিপুল সংখ্যক স্মার্টফোন রিটেইলশপ এবং ১২টি সার্ভিস সেন্টার খুলেছে ভিভো।

ফোন কোম্পানিগুলোর মধ্যে সেরা হয়ে উঠতে স্মার্টফোন নির্মাতা থেকে প্রযুক্তি উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া. যোগাযোগ শিল্পের নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে ৫জি প্রযুক্তি নিয়েও কাজ করছে ভিভো এরই মধ্যে বিশ্বব্যাপী ৫জি স্মার্টফোন ভিভো আইকিউওও৫ বাজারে এনেছে ভিভো।

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত নিজেদের সেরা ডিভাইসগুলোই এনেছে ভিভো। এর মধ্যে ফ্ল্যাগশিপ ছাড়াও রয়েছে মিডরেঞ্জ ও বাজেট ফোন। তবে, করোনার সময়ে মিডরেঞ্জের ডিভাইসে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এনেছে ভিভো ওয়াই৫০ ও ওয়াই৩০ এর মতো স্মার্টফোনগুলো। ক্যামেরা, ব্যাটারি ও দামের জন্যে ইতিমধ্যেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই স্মার্টফোন দুটি। এছাড়াও বাজারে রয়েছে আরো এক জনপ্রিয় স্মার্টফোন ভিভো ভি১৯। ক্যামেরা প্রযুক্তি ও ডিসপ্লে ডিজাইনের জন্যে জনপ্রিয়তা পায় ভিভোর এই ফোন।

ভিভো বাংলাদেশের ডেপুটি ব্র্যান্ড ম্যানেজার তানজীব আহামেদ বলেন, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে, আমরা তরুণ প্রজন্মের চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে চলি। বাংলাদেশে ভিভোর যাত্রা দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে। এরই মধ্যে ভিভো ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ও পপআপ সেলফি ক্যামেরার মতো প্রযুক্তি বাজারে এনেছে। তবে, গ্রাহকদের কাছে পছন্দসই স্মার্টফোনের পাশাপাশি, ফোনের দামটিও গুরুত্বপূর্ণ। তাই করোনাকালীন এই সময়ে ভিভো মিডরেঞ্জের ফোনগুলো বাজারে এনেছে।