Dhaka ০৫:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঢাকায় বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে নগরবাসী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৫৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০
  • ১৫৬ Time View

রাত থেকে সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি। এই বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সড়কে পানি জমে দুর্ভোগে পড়েন নগরবাসী। গতকাল রোববার রাত থেকে রাজধানীতে বৃষ্টি শুরু হয়। আজ সোমবার সকালেও মুষলধারে চলে বৃষ্টি। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে দেখা যায়, বৃষ্টিতে রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়ক তো বটেই বিভিন্ন সংযোগ সড়কেও পানি জমে গেছে। কোথাও কোথাও সড়কে হাঁটুপানি জমে থাকতে দেখা যায়।

সকালে রাজধানীর বিভিন্ন প্রধান সড়কে পানি মাড়িয়ে যানবাহন চলতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও পানিতে যানবাহন বিকল হতেও দেখা গেছে। সকালে সড়কে নেমে অফিসমুখী নগরবাসী দুর্ভোগে পড়েন। অনেকেই বৃষ্টিতে ভিজে, পানি মাড়িয়ে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করেন। গত কয়েক বছর ধরেই বর্ষা মৌসুম রাজধানীবাসীর জন্য এক আতঙ্ক। সামান্য বৃষ্টিতেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা জলাবদ্ধ থাকে রাজধানীর অনেক সড়ক। এবারও একই চিত্র দেখা গেল।



রবিউল ইসলাম নামে এক অফিসগামী বলছিলেন , হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে দেখি প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে। কোনরকম রেডি হয়ে অফিসে যাওয়ার জন্য বের হয়ে দেখি চারপাশে পানি আর অপানি। কি আর করার অফিসে যেতেই হবে তাই পেন্ট ভিজে অফিসে যাচ্ছি।

অবশ্য আগেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল, এবারের বর্ষা মৌসুমেও জলাবদ্ধতার ভোগান্তি রাজধানীবাসীকে সহ্য করতে হবে। ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের দায়িত্বে থাকা সংস্থার কর্মকর্তারাই এই আশঙ্কা প্রকাশ করেন।



এদিকে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় সমুদ্রবন্দরগুলোকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে বলা হয়, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরসমূহের ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এজন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ (তিন) নম্বর পুনঃ ৩ (তিন) নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।



এছাড়া রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।



সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের কার্যকারিতা অব্যাহত থাকতে পারে। আগামী পাঁচ দিন আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ঢাকায় বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে নগরবাসী

Update Time : ০৩:৫৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০

রাত থেকে সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি। এই বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সড়কে পানি জমে দুর্ভোগে পড়েন নগরবাসী। গতকাল রোববার রাত থেকে রাজধানীতে বৃষ্টি শুরু হয়। আজ সোমবার সকালেও মুষলধারে চলে বৃষ্টি। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে দেখা যায়, বৃষ্টিতে রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়ক তো বটেই বিভিন্ন সংযোগ সড়কেও পানি জমে গেছে। কোথাও কোথাও সড়কে হাঁটুপানি জমে থাকতে দেখা যায়।

সকালে রাজধানীর বিভিন্ন প্রধান সড়কে পানি মাড়িয়ে যানবাহন চলতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও পানিতে যানবাহন বিকল হতেও দেখা গেছে। সকালে সড়কে নেমে অফিসমুখী নগরবাসী দুর্ভোগে পড়েন। অনেকেই বৃষ্টিতে ভিজে, পানি মাড়িয়ে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করেন। গত কয়েক বছর ধরেই বর্ষা মৌসুম রাজধানীবাসীর জন্য এক আতঙ্ক। সামান্য বৃষ্টিতেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা জলাবদ্ধ থাকে রাজধানীর অনেক সড়ক। এবারও একই চিত্র দেখা গেল।



রবিউল ইসলাম নামে এক অফিসগামী বলছিলেন , হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে দেখি প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে। কোনরকম রেডি হয়ে অফিসে যাওয়ার জন্য বের হয়ে দেখি চারপাশে পানি আর অপানি। কি আর করার অফিসে যেতেই হবে তাই পেন্ট ভিজে অফিসে যাচ্ছি।

অবশ্য আগেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল, এবারের বর্ষা মৌসুমেও জলাবদ্ধতার ভোগান্তি রাজধানীবাসীকে সহ্য করতে হবে। ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের দায়িত্বে থাকা সংস্থার কর্মকর্তারাই এই আশঙ্কা প্রকাশ করেন।



এদিকে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় সমুদ্রবন্দরগুলোকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে বলা হয়, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরসমূহের ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এজন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ (তিন) নম্বর পুনঃ ৩ (তিন) নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।



এছাড়া রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।



সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের কার্যকারিতা অব্যাহত থাকতে পারে। আগামী পাঁচ দিন আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।