নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
অনেক নাটকীয়তার পর ভাঙ্গল পটুয়াখালীর আলোচিত কিশোরী ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বিয়ে। ওই কিশোরী তালাক দিয়েছে চেয়ারম্যানকে।
প্রেমের বিয়ের এক সালিশে নিজেই ওই স্কুল শিক্ষার্থীকে বিয়ে করেছিলেন চেয়ারম্যান। গত শুক্রবার (২৫ জুন) পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর শনিবার সন্ধ্যায় কিশোরী নসিমন বেগম তাৎক্ষনিক বিবাহ করা সেই চেয়ারম্যানকে তালাক দিয়ে বাবার বাড়ি ফিরে গেছে বলে জানিয়েছেন কিশোরীর বাবা নজরুল ইসলাম।
কনকদিয়া ইউনিয়নের নজরুল ইসলামের মেয়ে নসিমন এর সাথে একই ইউনিয়নের নারায়নপাশা গ্রামের রমজান নামে এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। গত বৃহস্পতিবার রাতে তারা দু’জন পালিয়ে যায়। বিষয়টি কিশোরীর বাবা কনকদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারকে জানান। চেয়ারম্যান আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিয়ে দেওয়ার কথা বলে শুক্রবার কনকদিয়া ইউপি কার্যালয়ে ছেলে ও মেয়ের দুই পরিবারকে যেতে বলেন। এরপর শুক্রবার সকাল নয়টায় দুই পরিবারের সদস্যরা ইউপি কার্যালয়ে গেলে সেখানে মেয়েটিকে দেখে পছন্দ হয়ে যায় চেয়ারম্যানের। তিনি মেয়েটিকে বিয়ে করার আগ্রহ দেখান।
শুক্রবার দুপর ১টায় স্থানীয় কাজী মো. আবু সাদেককে বাড়িতে ডেকে পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে ওই কিশোরীকে বিয়ে করেন ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার।
এই বিয়ের পর তা জানাজানি হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা ব্যাপক ভাইরাল হয়। এরপর গতকাল শনিবার (২৬ জুন) ওই একই কাজীর মাধ্যমেই তালাক সম্পন্ন হয়।
ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার জানান, ওই মেয়ে তাকে স্বামী হিসেবে মেনে না নেয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বর্তমানে মেয়েটিকে তার বাবার সাথে তাদের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।